ব্রেকিং নিউজ
হোম chevron_right খেলাধুলা chevron_right বিশ্বকাপ ইতিহাসের অঘটনগুলো, সমর্থকদের জন্য কোনটি সবচেয়ে বড় …
খেলাধুলা ১১৯ দিন আগে

বিশ্বকাপ ইতিহাসের অঘটনগুলো, সমর্থকদের জন্য কোনটি সবচেয়ে বড় ধাক্কা?

person
ডেস্ক
schedule 26 মে 2026, 11:40 পূর্বাহ্ন
visibility ১২৩ বার পড়া হয়েছে
menu_book ৬ মিনিটে পড়া যায়
বিশ্বকাপ ইতিহাসের অঘটনগুলো, সমর্থকদের জন্য কোনটি সবচেয়ে বড় ধাক্কা?
ছবি: ডেস্ক

বিশ্বকাপ ইতিহাসের অঘটনগুলো, সমর্থকদের জন্য কোনটি সবচেয়ে বড় ধাক্কা?

ফুটবল বিশ্বকাপে প্রিয় দলের ভালো পারফরম্যান্স দর্শকদের যেমন হৃদয় ছুঁয়ে যায়, তেমনি তার বিপরীতে অঘটন ঘটলে দাগ কেটে থাকে সারাজীবন। বিশ্বকাপের মুহূর্তেই সেই ইতিহাস চর্চা করতে দেখা যায় দর্শকদের। কেউ বা পরিসংখ্যান তুলে ধরে খোঁচা দিতে ভুলেন না। আবার কেউ কেউ সুখস্মৃতিও তুলে ধরে মনে করিয়ে দেন প্রিয় দলটির অতীত পারফরম্যান্স। এই যেমন পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল, চারবারের ইতালি ও জার্মানি, তিনবারের ফ্রান্স ও আর্জেন্টিনা। এসব দল বিশ্বকাপে কখনও গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছে। আবার কখনও ছোট দল হারিয়েছে এমন সব ফুটবল পরাশক্তিকে। বিশ্বকাপ ইতিহাসের কয়েকটি বড় অঘটনের গল্প তুলে ধরা হলো-
যুক্তরাষ্ট্র ১-০ ইংল্যান্ড (১৯৫০)
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম দাবিদার ছিল ইংল্যান্ড। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের দলে ছিলেন পার্টটাইম খেলোয়াড়—যার মধ্যে শিক্ষক, ডাকপিয়ন ও হোটেলের কিচেনের কর্মী। একদিনেই অনুশীলন করে ব্রাজিল বিশ্বকাপে যায় তারা। ম্যাচের ৩৮ মিনিটে জো গেইটজেন্সের হেডে এগিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র। দ্বিতীয়ার্ধে ইংল্যান্ড একের পর এক আক্রমণ চালালেও গোলরক্ষক ফ্রাঙ্ক বর্গি দুর্দান্ত সেভে দলকে জিতিয়ে ইতিহাস গড়ে।

ফুটবল বিশ্বকাপে প্রিয় দলের ভালো পারফরম্যান্স দর্শকদের যেমন হৃদয় ছুঁয়ে যায়, তেমনি তার বিপরীতে অঘটন ঘটলে দাগ কেটে থাকে সারাজীবন। বিশ্বকাপের মুহূর্তেই সেই ইতিহাস চর্চা করতে দেখা যায় দর্শকদের। কেউ বা পরিসংখ্যান তুলে ধরে খোঁচা দিতে ভুলেন না। আবার কেউ কেউ সুখস্মৃতিও তুলে ধরে মনে করিয়ে দেন প্রিয় দলটির অতীত পারফরম্যান্স। এই যেমন পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল, চারবারের ইতালি ও জার্মানি, তিনবারের ফ্রান্স ও আর্জেন্টিনা। এসব দল বিশ্বকাপে কখনও গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছে। আবার কখনও ছোট দল হারিয়েছে এমন সব ফুটবল পরাশক্তিকে। বিশ্বকাপ ইতিহাসের কয়েকটি বড় অঘটনের গল্প তুলে ধরা হলো-

যুক্তরাষ্ট্র ১-০ ইংল্যান্ড (১৯৫০)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম দাবিদার ছিল ইংল্যান্ড। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের দলে ছিলেন পার্টটাইম খেলোয়াড়—যার মধ্যে শিক্ষক, ডাকপিয়ন ও হোটেলের কিচেনের কর্মী। একদিনেই অনুশীলন করে ব্রাজিল বিশ্বকাপে যায় তারা। ম্যাচের ৩৮ মিনিটে জো গেইটজেন্সের হেডে এগিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র। দ্বিতীয়ার্ধে ইংল্যান্ড একের পর এক আক্রমণ চালালেও গোলরক্ষক ফ্রাঙ্ক বর্গি দুর্দান্ত সেভে দলকে জিতিয়ে ইতিহাস গড়েন।

পশ্চিম জার্মানি ৩-২ হাঙ্গেরি (১৯৫৪)

হাঙ্গেরির ‘মাইটি ম্যাজিয়ার্স’ দল ছিল তৎকালীন সবচেয়ে ভয়ংকর দলগুলোর একটি। ফেরেঙ্ক পুসকাসের নেতৃত্বে তারা বিশ্বকাপে ফেবারিট হিসেবেই খেলতে নামে। গ্রুপ পর্বে দক্ষিণ কোরিয়াকে ৯-০ এবং পশ্চিম জার্মানিকে ৮-৩ গোলে হারায় তারা। এমনকি বিশ্বকাপের ফাইনালেও শুরুতে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় হাঙ্গেরি। কিন্তু জার্মানি ঘুরে দাঁড়িয়ে সমতা ফেরায়। পরে ৮৪ মিনিটে হেলমুট রানের গোল জার্মানিকে এনে দেয় অবিশ্বাস্য জয়। ম্যাচটি ‘মিরাকল অব বার্ন’ নামে পরিচিত।

ফুটবল বিশ্বকাপে প্রিয় দলের ভালো পারফরম্যান্স দর্শকদের যেমন হৃদয় ছুঁয়ে যায়, তেমনি তার বিপরীতে অঘটন ঘটলে দাগ কেটে থাকে সারাজীবন। বিশ্বকাপের মুহূর্তেই সেই ইতিহাস চর্চা করতে দেখা যায় দর্শকদের। কেউ বা পরিসংখ্যান তুলে ধরে খোঁচা দিতে ভুলেন না। আবার কেউ কেউ সুখস্মৃতিও তুলে ধরে মনে করিয়ে দেন প্রিয় দলটির অতীত পারফরম্যান্স। এই যেমন পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল, চারবারের ইতালি ও জার্মানি, তিনবারের ফ্রান্স ও আর্জেন্টিনা। এসব দল বিশ্বকাপে কখনও গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছে। আবার কখনও ছোট দল হারিয়েছে এমন সব ফুটবল পরাশক্তিকে। বিশ্বকাপ ইতিহাসের কয়েকটি বড় অঘটনের গল্প তুলে ধরা হলো-
যুক্তরাষ্ট্র ১-০ ইংল্যান্ড (১৯৫০)
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম দাবিদার ছিল ইংল্যান্ড। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের দলে ছিলেন পার্টটাইম খেলোয়াড়—যার মধ্যে শিক্ষক, ডাকপিয়ন ও হোটেলের কিচেনের কর্মী। একদিনেই অনুশীলন করে ব্রাজিল বিশ্বকাপে যায় তারা। ম্যাচের ৩৮ মিনিটে জো গেইটজেন্সের হেডে এগিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র। দ্বিতীয়ার্ধে ইংল্যান্ড একের পর এক আক্রমণ চালালেও গোলরক্ষক ফ্রাঙ্ক বর্গি দুর্দান্ত সেভে দলকে জিতিয়ে ইতিহাস গড়েন।

পশ্চিম জার্মানি ৩-২ হাঙ্গেরি (১৯৫৪)

হাঙ্গেরির ‘মাইটি ম্যাজিয়ার্স’ দল ছিল তৎকালীন সবচেয়ে ভয়ংকর দলগুলোর একটি। ফেরেঙ্ক পুসকাসের নেতৃত্বে তারা বিশ্বকাপে ফেবারিট হিসেবেই খেলতে নামে। গ্রুপ পর্বে দক্ষিণ কোরিয়াকে ৯-০ এবং পশ্চিম জার্মানিকে ৮-৩ গোলে হারায় তারা। এমনকি বিশ্বকাপের ফাইনালেও শুরুতে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় হাঙ্গেরি। কিন্তু জার্মানি ঘুরে দাঁড়িয়ে সমতা ফেরায়। পরে ৮৪ মিনিটে হেলমুট রানের গোল জার্মানিকে এনে দেয় অবিশ্বাস্য জয়। ম্যাচটি ‘মিরাকল অব বার্ন’ নামে পরিচিত।

উত্তর কোরিয়া ১-০ ইতালি (১৯৬৬)

বিশ্বকাপে উত্তর কোরিয়ার অংশগ্রহণই ছিল বিস্ময়ের। স্নায়ু যুদ্ধের সময় তাদের ভিসা দেওয়া নিয়েও বিতর্ক ছিল। ম্যাচে ইতালির গুরুত্বপূর্ণ মিডফিল্ডার জিয়াকোমো বুলগারেলি চোট পান। সে সময় বদলি খেলোয়াড় নামানোর নিয়ম না থাকায় ইতালিকে ১০ জন নিয়ে খেলতে হয়। এর সাত মিনিট পর পাক দুইকের গোলে দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ইতালিকে বিদায় করে দেয়। এটি বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম বড় অঘটন হিসেবে ধরা হয়। এমনকি এই ম্যাচের মূল টিকিটটি ফিফা ফুটবল জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।

ফুটবল বিশ্বকাপে প্রিয় দলের ভালো পারফরম্যান্স দর্শকদের যেমন হৃদয় ছুঁয়ে যায়, তেমনি তার বিপরীতে অঘটন ঘটলে দাগ কেটে থাকে সারাজীবন। বিশ্বকাপের মুহূর্তেই সেই ইতিহাস চর্চা করতে দেখা যায় দর্শকদের। কেউ বা পরিসংখ্যান তুলে ধরে খোঁচা দিতে ভুলেন না। আবার কেউ কেউ সুখস্মৃতিও তুলে ধরে মনে করিয়ে দেন প্রিয় দলটির অতীত পারফরম্যান্স। এই যেমন পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল, চারবারের ইতালি ও জার্মানি, তিনবারের ফ্রান্স ও আর্জেন্টিনা। এসব দল বিশ্বকাপে কখনও গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছে। আবার কখনও ছোট দল হারিয়েছে এমন সব ফুটবল পরাশক্তিকে। বিশ্বকাপ ইতিহাসের কয়েকটি বড় অঘটনের গল্প তুলে ধরা হলো-
যুক্তরাষ্ট্র ১-০ ইংল্যান্ড (১৯৫০)
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম দাবিদার ছিল ইংল্যান্ড। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের দলে ছিলেন পার্টটাইম খেলোয়াড়—যার মধ্যে শিক্ষক, ডাকপিয়ন ও হোটেলের কিচেনের কর্মী। একদিনেই অনুশীলন করে ব্রাজিল বিশ্বকাপে যায় তারা। ম্যাচের ৩৮ মিনিটে জো গেইটজেন্সের হেডে এগিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র। দ্বিতীয়ার্ধে ইংল্যান্ড একের পর এক আক্রমণ চালালেও গোলরক্ষক ফ্রাঙ্ক বর্গি দুর্দান্ত সেভে দলকে জিতিয়ে ইতিহাস গড়েন।

পশ্চিম জার্মানি ৩-২ হাঙ্গেরি (১৯৫৪)

হাঙ্গেরির ‘মাইটি ম্যাজিয়ার্স’ দল ছিল তৎকালীন সবচেয়ে ভয়ংকর দলগুলোর একটি। ফেরেঙ্ক পুসকাসের নেতৃত্বে তারা বিশ্বকাপে ফেবারিট হিসেবেই খেলতে নামে। গ্রুপ পর্বে দক্ষিণ কোরিয়াকে ৯-০ এবং পশ্চিম জার্মানিকে ৮-৩ গোলে হারায় তারা। এমনকি বিশ্বকাপের ফাইনালেও শুরুতে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় হাঙ্গেরি। কিন্তু জার্মানি ঘুরে দাঁড়িয়ে সমতা ফেরায়। পরে ৮৪ মিনিটে হেলমুট রানের গোল জার্মানিকে এনে দেয় অবিশ্বাস্য জয়। ম্যাচটি ‘মিরাকল অব বার্ন’ নামে পরিচিত।

উত্তর কোরিয়া ১-০ ইতালি (১৯৬৬)

বিশ্বকাপে উত্তর কোরিয়ার অংশগ্রহণই ছিল বিস্ময়ের। স্নায়ু যুদ্ধের সময় তাদের ভিসা দেওয়া নিয়েও বিতর্ক ছিল। ম্যাচে ইতালির গুরুত্বপূর্ণ মিডফিল্ডার জিয়াকোমো বুলগারেলি চোট পান। সে সময় বদলি খেলোয়াড় নামানোর নিয়ম না থাকায় ইতালিকে ১০ জন নিয়ে খেলতে হয়। এর সাত মিনিট পর পাক দুইকের গোলে দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ইতালিকে বিদায় করে দেয়। এটি বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম বড় অঘটন হিসেবে ধরা হয়। এমনকি এই ম্যাচের মূল টিকিটটি ফিফা ফুটবল জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।

আলজেরিয়া ২-১ পশ্চিম জার্মানি (১৯৮২)
ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন পশ্চিম জার্মানির দলে ছিলেন রুমেনিগে, ম্যাথাউসদের মতো তারকা খেলোয়াড়। অন্যদিকে আলজেরিয়া ছিল তুলনামূলক অপরিচিত দল। ম্যাচের ৫৪ মিনিটে রাবাহ মাজের গোল করে জার্মানদের চমকে দেন। পরে রুমেনিগে সমতা ফেরালেও লাখদার বেলৌমির গোল আলজেরিয়াকে এনে দেয় ঐতিহাসিক জয়।

ক্যামেরুন ১-০ আর্জেন্টিনা (১৯৯০)
১৯৮৬ বিশ্বকাপে ডিয়েগো ম্যারাডোনার নেতৃত্বে চ্যাম্পিয়ন হয় আর্জেন্টিনা। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে অংশ নেওয়া আর্জেন্টিনা এই টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেবারিট দল ছিল। অন্যদিকে ক্যামেরুন প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে আসে। দ্বিতীয়ার্ধে ফ্রাঁসোয়া ওমান-বিয়িকের হেডে এগিয়ে যায় ক্যামেরুন। শেষ পর্যন্ত সেই গোলই ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেয়।

ফ্রান্স ০-১ সেনেগাল (২০০২)
বিশ্বকাপে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স বনাম নবাগত দল সেনেগালের উদ্বোধনী ম্যাচ, কেউ তখনও ভাবেনি ফলাফল সদ্য বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া দলটির পক্ষে যাবে। কিন্তু নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পরিকল্পনায় ফরাসিদের আক্রমণ আটকে দেয় সেনেগাল। ৩০ মিনিটে পাপা বুবা দিয়পের গোলে এগিয়ে যায় আফ্রিকান দলটি। পরে ফ্রান্স গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয়, আর সেনেগাল পৌঁছে যায় কোয়ার্টার ফাইনালে।

জার্মানি ৭-১ ব্রাজিল (২০১৪)
নিজেদের মাঠে বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছিল ব্রাজিল। কিন্তু সেমিফাইনালে জার্মানির কাছে তারা ইতিহাসের অন্যতম লজ্জাজনক হার দেখে। ম্যাচের ১১ মিনিটে গোলের সূচনা করে জার্মানি। এরপর মাত্র ছয় মিনিটের ব্যবধানে চার গোল করে ব্রাজিলকে স্তব্ধ করে দেয় তারা। শেষ পর্যন্ত ৭-১ গোলের এই হার ব্রাজিল ফুটবলের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অঘটন হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে।

নেদারল্যান্ডস ৫-১ স্পেন (২০১৪)
ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন স্পেন শুরুতে জাভি আলোনসোর পেনাল্টি গোলে এগিয়ে যায়। তবে বিরতির আগে রবিন ফন পার্সির দুর্দান্ত হেডে সমতা ফেরায় নেদারল্যান্ডস। এরপরেই আরও চার গোল করে স্পেনকে বড় ব্যবধানে হারায় ডাচরা। বিশ্বকাপে শিরোপাধারী দলের সবচেয়ে বড় হারগুলোর একটি এটি।

দক্ষিণ কোরিয়া ২-০ জার্মানি (২০১৮)
ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন জার্মানির শেষ ষোল নিশ্চিত করতে এই ম্যাচে জয় দরকার ছিল। ম্যাচ যখন গোলশূন্য ড্রয়ের দিকে যাচ্ছিলো, তখন ইনজুরি সময়ে কিম ইয়ং-গওনের গোলে এগিয়ে যায় দক্ষিণ কোরিয়া। পরে গোলরক্ষক মানুয়েল নয়ার আক্রমণে উঠে এলে ফাঁকা পোস্টে আরেকটি গোল করে দক্ষিণ কোরিয়া। এতে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয় জার্মানি।

সৌদি আরব ২-১ আর্জেন্টিনা (২০২২)
টানা ৩৬ ম্যাচ অপরাজিত থেকে বিশ্বকাপে আসে আর্জেন্টিনা। এমনকি ম্যাচে লিওনেল মেসির পেনাল্টিতে শুরুতেই এগিয়ে যায় তারা। তবে দ্বিতীয়ার্ধে বদলে যায় ম্যাচের সেই চিত্র। সালেহ আল-শেহরি সমতা ফেরানোর পর সালেম আল-দাওসারির দুর্দান্ত গোলে এগিয়ে যায় সৌদি আরব। শেষ পর্যন্ত সেই ব্যবধান ধরে রেখে বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম বড় অঘটন ঘটায় সৌদিরা। পরে অবশ্য আর্জেন্টিনাই বিশ্বকাপ জেতে, কিন্তু সৌদি আরবের সেই জয় ফুটবল ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকে।

আগামী ১১ জুন থেকে পর্দা উঠছে বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর ‘ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬’-এর। অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায়। এবারও নতুন অঘট

তথ্যসূত্র : আল জাজিরা, সিএনএন

share শেয়ার করুন

Facebook X / Twitter